৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ হবে: শিক্ষামন্ত্রী
৬ দিন আগে শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, তবে, নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে একটি জটিলতা রয়েছে। আশা করছি এটি কাটিয়ে শিগগিরই আমরা এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হবো। এক্ষেত্রে কারিআনা পাশধারীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মকে প্রাধান্য নিয়ে আমরা কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। স্পিকার মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রথমে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।
এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি সিস্টেম চালু করেছিল। আমার কাছে এটাকে যুক্তিসংগত মনে হয়নি। আগামী শিক্ষবর্ষে ভর্তির পদ্ধতি নির্ধারণের জন্য আমরা অংশীজনের সাথে আলোচনা করে সকলের অভিমত নিয়ে ভর্তির বিষয় চিন্তা করবো। আমরা ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোকে সরকারের আওতায় এনে দেশের নিয়মকানুন মেনে যুগোপযোগী করা যায় কী না সেই বিষয়ে আমরা কাজ করছি। আমরা ইবতেদায়ী ও কওমী শিক্ষাসহ সব শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতির আওতায় আনার কাজ করছি। এটা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য নতুন করে আবেদন আহ্বান করবে সরকার। পুরাতন আবেদনগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে।
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীয় আওতাভুক্ত সুবিধাভোগীদের সমন্বিতভাবে একই ছাতার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের অনুপস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দেন।
কুষ্টিয়া-১ আসনের রেজা আহাম্মেদ চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতার ভাতা সরবরাহ পর্যায়ে নানা অনিয়মের খবর পাওয়া যায়। অনেকেটা কাছে টাকা দাবি করা হয়। এটা অবশ্যই একটি দুর্নীতি। আমাদের চেষ্টা থাকবে সরবরাহ কার্যক্রমের বিষয়টি যতটা সম্ভব স্বচ্ছতার মধ্যে নিয়ে আসা।
তিনি বলেন, আমরা ফ্যামিলি কার্ড নামে বড় একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছি। আমরা ক্রমান্বয়ে চেষ্টা করবো একটি সমন্বিত পদ্ধতির মাধ্যমে সমস্ত সুবিধাভোগীকে একটি পরিবারের আওতায় নিয়ে আসার। বর্তমানে আমরা অত্যন্ত ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থায় বিরাজ করছি। এর থেকে দেশকে যেমনি উঠিয়ে দাঁড় করাতে হবে। তেমনি আমরা চাইবো সুবিধাভোগীরা যেন উপকৃত হয়। এজন্য একটি সম্মিলিত কাঠামোর মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের একটি সুবিধাজনক জায়গায় নিয়ে যাওয়ার।
নোয়াখালী-২ আসনের জয়নাল আবেদীন ফারুকের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে তালিকাটা আমাদের হাতে রয়েছে তা আমরা যাচাই করছি। ফ্যাসিস্ট আমলে যে তালিকা থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে যেসব অনিয়ম হয়েছে তা বিবেচনায় নিয়ে নীতিমালা সংশোধন করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় নিয়ে আসবো।
চট্টগ্রাম-১৫ আসনের শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিগত সময় তালিকা তৈরিতে অনেক স্বজনপ্রীতি করা হয়েছিল। আমরা চেষ্টা করছি ভাতা পাওয়ার যোগ্য প্রকৃত সুবিধাভোগীদের তালিকাভুক্ত করার। বিদ্যমান তালিকা যাচাই করে আমরা এটা করবো। এ লক্ষ্যে আমরা কাজও শুরু করেছি।