শপথ নিলেন প্রধান বিচারপতি
২ ঘন্টা আগে মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২৬
প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিচ্ছেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ
বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। শপথ অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন।
আজ রোববার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এ পদে নিয়োগ দেন। এর আগে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। শপথ অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন।
আজ রোববার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এ পদে নিয়োগ দেন। এর আগে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়েছেন।
রেফাত আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনশাস্ত্রে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ওয়াদাম কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তিনি ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি অফ টাফ্টস ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স এবং পিএইচডি সম্পন্ন করেন। এরপর ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশ হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান রেফাত আহমেদ। পরে ২০০৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হন তিনি।
প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান পদত্যাগ করেন। চিঠিতে তিনি পদত্যাগের কারণ হিসেবে বেশকিছু বিষয় উল্লেখ করেন। এছাড়া, শনিবার বিভিন্ন সময়ে আপিল বিভাগের বাকি ছয়জন বিচারপতিও পদত্যাগ করেন। পদত্যাগ করা আপিল বিভাগের ৬ বিচারপতি হলেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলাম, বিচারপতি কাশেফা হোসেন ও বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম।
এর আগে প্রধান বিচারপতিসহ অন্যান্যদের পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। পরে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে এসে জড়ো হতে থাকেন। সেখানে তারা প্রধান বিচারপতির পদত্যাগের দাবিতে নানা স্লোগান দেন।
শনিবার সকালে সব বিচারপতির অংশগ্রহণে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা ডেকেছিলেন। পরে তা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, শনিবার এভাবে ফুলকোর্ট সভা ডাকা একটি ষড়যন্ত্র ছিল।