আমিরসহ জামায়াতের ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দিতে ইসির নির্দেশ
২৩ দিন আগে মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির সাত নেতাকে নিরাপত্তা দিতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আরও দেখুন
জাতীয় সংবাদ
বিজ্ঞাপনের স্থান
টুইটার লিঙ্ক
ভিডিও সংবাদ পরিষেবা
ইনস্টাগ্রাম লিঙ্ক
লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
বিনোদনমূলক সংবাদ পরিষেবা
অর্থনীতি বিশ্লেষণ পরিষেবা
খেলাধুলার খবর পরিষেবা
টিভি লাইভ
চিঠিতে জামায়াত আমির ছাড়াও দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের ও অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এবং এ টি এম আজহারুল ইসলামকে নিরাপত্তা দিতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির সাত নেতাকে নিরাপত্তা দিতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আরও দেখুন
জাতীয় সংবাদ
বিজ্ঞাপনের স্থান
টুইটার লিঙ্ক
ভিডিও সংবাদ পরিষেবা
ইনস্টাগ্রাম লিঙ্ক
লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
বিনোদনমূলক সংবাদ পরিষেবা
অর্থনীতি বিশ্লেষণ পরিষেবা
খেলাধুলার খবর পরিষেবা
টিভি লাইভ
চিঠিতে জামায়াত আমির ছাড়াও দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের ও অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এবং এ টি এম আজহারুল ইসলামকে নিরাপত্তা দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারিভাবে ‘গানম্যান’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করতে পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী গুলিবর্ষণে নিহত হওয়ার পর সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী গুলিবর্ষণে নিহত হওয়ার পর রাজনৈতিক নেতা ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ ডিসেম্বর সরকার ঝুঁকিপূর্ণ প্রার্থীদের সরকারি নিরাপত্তা ও গানম্যান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।