ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতিতে থমকে গিয়েছিল পুরো দেশ। সরকার পতনের পর দায়িত্ব নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এতে কয়েকদিনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কেটে গিয়ে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে জনমনে। সচল হতে শুরু করেছে অর্থনৈতিক কার্যক্রম।
ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গাজীপুর-নারায়ণগঞ্জে ছুটির দিনেও খোলা রাখা হয়েছে অনেক কলকারখানা। শুক্রবার সকাল থেকে বিভিন্ন সড়কে চলতে দেখা গেছে আন্তঃজেলা বাস-মিনিবাস। বেড়েছে দূরপাল্লার বাস চলাচলও।
সাধারণ মানুষ বলছে, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি চাঁদাবাজি রোধে প্রশাসনের উদ্যোগ প্রয়োজন। তারা বলছেন, চাঁদাবাজি বন্ধ হলে নিত্যপণ্যের দাম অনেকটাই কমে আসবে। এমন কথা বলছেন বাজারের মুদি দোকানিরাও।
ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় সুষ্ঠু বিচারসহ প্রশাসনকে ঢেলে সাজানোর তাগিদ দিচ্ছেন অনেকে। তারা বলছেন, প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত করতে দুর্নীতিবাজদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
কয়েকদিনের অস্থিরতার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনে প্রত্যাশা বেড়েছে জনমনে। এবার তাদের দাবি, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিতে হবে এই সরকারকে। তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। সেই পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ গড়ার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগাতে সঠিক পদক্ষেপের প্রয়োজন দেখছে সাধারণ মানুষ।