জালিয়াতির মামলায় কারাগারে পরিচালক বিক্রম ভাট ও তার স্ত্রী
২৭ দিন আগে মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২৬
বলিউডের আল্যচিত পরিচালক বিক্রম ভাট। ছবি: সংগৃহীত
৩০ কোটি রুপির অর্থ জালিয়াতি মামলায় বলিউডের আল্যচিত পরিচালক বিক্রম ভাট ও তার স্ত্রী শ্বেতাম্বরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মিডডের প্রতিবেদনে জানা যায়, উদয়পুরের একটি আদালত গত ৯ ডিসেম্বর এই দম্পতিকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছিল। সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) তাদের আইনজীবী চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে সাময়িক জামিন চান। তবে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে দু’জনকেই বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযুক্তদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজুর হুসেন জানান, চিকিৎসার স্বার্থে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। আদালতের সিদ্ধান্তের ওপরই সবকিছু নির্ভর করছিল। শেষ পর্যন্ত আদালত বিচারিক হেফাজতের নির্দেশ দেন।
এদিকে, ডিএসপি সূর্যবীর সিং সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের বিচারিক হেফাজতে রাখা হবে। খুব শিগগিরই তাদের উদয়পুরের কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হবে।
গত ৭ ডিসেম্বর মুম্বাই থেকে বিক্রম ভাট ও তার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ। পরদিন তাদের উদয়পুরে নিয়ে গিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এই মামলায় বিক্রম ভাট, তাঁর স্ত্রীসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ইন্দিরা আইভিএফ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডা. অজয় মুর্দিয়া অভিযোগ করেছেন তার প্রয়াত স্ত্রীকে নিয়ে একটি বায়োপিক নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে অভিযুক্তরা তার কাছ থেকে প্রায় ৩০ কোটি রুপি নিয়েছেন। বলা হয়েছিল, সিনেমাটি থেকে ২০০ কোটির বেশি আয় হবে। কিন্তু বাস্তবে কোনও সিনেমা তৈরি হয়নি। এ ঘটনায় উদয়পুরের ভোপালপুরা থানায় প্রতারণাসহ একাধিক ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রতারণার জন্য ভুয়া বিল ও নথি ব্যবহার করা হয়েছিল।
এর আগে অভিযোগ প্রসঙ্গে বিক্রম ভাট নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি জানান, এফআইআরের তথ্য বিভ্রান্তিকর এবং পুলিশকে ভুল তথ্য দেয়া হয়েছে। তিনি দাবি করছেন তার বিরুদ্ধে জাল নথি তৈরি করে এই মামলা সাজানো হতে পারে।